মোঃ আবদার হোসেন সরদার
রিপোর্ট করেছেন: বেনামী
পূর্ণ এলাকা: Rajshahi › Naogaon › Atrai › ৪নং পাঁচুপুর ইউনিয়ন › সাহেবগঞ্জ সরদারপাড়া
- বিভাগ
- Rajshahi
- জেলা
- Naogaon
- উপজেলা / থানা
- Atrai
- ইউনিয়ন / ওয়ার্ড
- ৪নং পাঁচুপুর ইউনিয়ন
- গ্রাম / পাড়া
- সাহেবগঞ্জ সরদারপাড়া
- নির্দিষ্ট স্থান (অফিস, রাস্তা, ভবন…)
- মসজিদ সাহেবগঞ্জ সরদারপাড়া
- পরিমাণ
- 30,000 BDT
- কখন
- 15/07/2026 2:00 PM
- কর্মকর্তা
- মোঃ আবদার হোসেন সরদার
- পদবি
- সভাপতি
- ঠিকানা
- সাহেবগঞ্জ সরদারপাড়া , পোস্ট অফিস : আহসানগঞ্জ, আত্রাই, নওগাঁ.
- টাকা নিয়েছে
- মোঃ আবদার হোসেন সরদার
সাহেবগঞ্জ সরদারপাড়া মসজিদ নিয়ে স্থানীয়দের একাধিক অভিযোগ
২০১৫ সাল পর্যন্ত এই মসজিদের নাম ছিল কাজীপাড়া জামে মসজিদ। পরবর্তীতে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে মসজিদের নাম পরিবর্তন করে সাহেবগঞ্জ সরদারপাড়া মসজিদ রাখা হয়।
স্থানীয়দের দাবি, গত প্রায় ২৫ বছর ধরে এই মসজিদের সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন মোঃ আবদার হোসেন সরদার, (+880 1712727636 +8801711895391) যিনি আত্রাই থানা আওয়ামী লীগের ধর্মবিষয়ক সম্পাদক। তাঁর পিতা আলিম উদ্দিন সরদার, গ্রাম: সাহেবগঞ্জ সরদারপাড়া।
অভিযোগ রয়েছে, সভাপতি আবদার হোসেন সরদার এবং তাঁর সহযোগী মোঃ জহুরুল ইসলাম সরদার (সভাপতি, আত্রাই থানা কৃষক লীগ), +8801719750666 পিতা: জসিম উদ্দিন সরদার, দীর্ঘদিন ধরে মসজিদের দানের নামে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে অর্থ আদায় করে আসছেন।
পরিচয় গোপন রাখার শর্তে একজন ভুক্তভোগী আমাদের জানান, প্রায় ১০ দিন আগে তিনি সদাপাড়া গ্রামে ৫ শতাংশ জমি ক্রয় করেন। এরপর আবদার হোসেন সরদার ও জহুরুল ইসলাম সরদার তাঁর কাছে মসজিদের দানের নামে অর্থ দাবি করেন। তিনি জানান, উপায়ান্তর না দেখে শেষ পর্যন্ত টাকা দিতে বাধ্য হন।
এছাড়াও স্থানীয়দের অভিযোগ, এই গ্রামে নতুন কেউ বসবাস শুরু করলে বা জমি ক্রয় করলে তাঁদের কাছ থেকেও একইভাবে মসজিদের দানের নামে অর্থ দাবি করা হয়। এলাকাবাসীর দাবি, এ ধরনের অভিযোগের সংখ্যা আরও রয়েছে।
স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় মসজিদের আয়-ব্যয়ের কোনো স্বচ্ছ হিসাব সাধারণ মুসল্লিদের সামনে উপস্থাপন করা হয়নি। তাঁদের দাবি, মসজিদে জমাকৃত অর্থ বিভিন্ন অজুহাতে ব্যয় করা হলেও সেই ব্যয়ের পূর্ণাঙ্গ হিসাব কখনো প্রকাশ করা হয়নি।
এছাড়াও অভিযোগ রয়েছে, কেউ যদি এসব বিষয়ে প্রশ্ন তুলতেন বা প্রতিবাদ করতেন, তাহলে তাঁকে সামাজিকভাবে একঘরে করার চেষ্টা করা হতো এবং বিভিন্নভাবে অপদস্থ করা হতো।
স্থানীয়দের দাবি, বিগত কয়েক বছরে একাধিকবার মসজিদের মুয়াজ্জেম পরিবর্তনের ঘটনাও ঘটেছে, যা নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে নানা প্রশ্ন ও অসন্তোষ রয়েছে।
স্থানীয়দের আরও দাবি, আবদার হোসেন সরদার নিজেকে হাজী হিসেবে পরিচয় দেন। এছাড়া অতীতে তিনি যাত্রাপালার সভাপতির দায়িত্বেও ছিলেন বলে এলাকাবাসী জানান।
অত্যন্ত দুঃখজনক বিষয় হলো, এসব অভিযোগ থাকার পরও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা এখনও মসজিদ পরিচালনা কমিটির গুরুত্বপূর্ণ পদে রয়েছেন। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য স্থানীয় প্রশাসন, ইসলামিক ফাউন্ডেশন এবং সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলের দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন এলাকাবাসী।
মন্তব্য (0)